ভারতের হিন্দুরা যদি দাঙ্গা লাগাতে ঘরে ঘরে অস্ত্র মজুদ করে, তাহলে মুসলমানরা কেন সেদেশে সশস্ত্র বিদ্রোহ ঘোষণা করবে না?

image

ভারত এমন একটি দেশ, যেখানে কোন একটি তুচ্ছ ইস্যুকে কেন্দ্র করে মুহূর্তের মধ্যে হিন্দুরা মুসলিম বিরোধী দাঙ্গা লাগিয়ে দিতে পারে। দেখা যায়, সেসব দাঙ্গা লাগার সাথে সাথেই হিন্দুদের হাতে হাতে অস্ত্র উঠে যায়, আর মুসলমান হয়ে থাকে ঢাল-তলোয়ারহীন নিধিরাম সর্দার। ফলাফল, ব্যাপকহারে মুসলিম নিধন ও মা-বোন উনাদের সম্ভ্রমহরণ। (নাউযুবিল্লাহ)হিন্দুরা কি দাঙ্গা লাগার সাথে সাথেই অস্ত্র জোগাড় করে ফেলে? না, তারা দাঙ্গার আগে থেকেইনিজেদের বাড়িতে অস্ত্রপাতি মওজুদ করে রাখে মুসলমান উনাদের শহীদ করার প্রস্তুতি হিসেবে। দাঙ্গার প্রস্তুতিগ্রহণের এই হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি আজকের নয়, বরং তা বহু পুরাতন। প্রাবন্ধিক নীরদ সি চৌধুরী তার শৈশবকাল কাটিয়েছে বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের পর কিশোরগঞ্জের হিন্দুরা এক মুসলমান নেতার আগমন উপলক্ষে যেভাবে অস্ত্রসজ্জিত হয়েছিল তার বর্ণনা সে তার আত্মজীবনী Autobiography of an unknown indian বইয়ের ২৭৬ পৃষ্ঠাতে এভাবে উল্লেখ করেছে
“Trunkfuls of pistols and ammunition had been passed from house to house; swords, spears, and even bows and arrows had been collected in large quantities. Every hindu house would have been defended by men practiced in arms, and blood would have flowed had there been a clash.”সেসব অস্ত্র যে বৈধপন্থায় আনা হতো না, সেই বর্ণনাও রয়েছে উক্ত আত্মজীবনীর ২৭৯ পৃষ্ঠাতে“Perhaps I need not explain that all these were unlicensed and smuggled revolvers”পাঠকরা লক্ষ্য করুন, ব্রিটিশ আমলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়েও হিন্দুরা নিজেদের ঘরে ঘরে অবৈধ অস্ত্র মজুদ করতো মুসলমানগণ উনাদের শহীদ করার উদ্দেশ্যে। ব্রিটিশ আমলেই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে দেশবিভাগের পর হিন্দুশাসিত ভারতের ক্ষেত্রে কি হতে পারে? ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গায় শুধু মজুদকৃত অস্ত্রপাতিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি হিন্দুরা। ভারতীয় সাংবাদিক তপন মিত্র তার লেখাতে প্রশ্ন তুলেছিল, মুসলমান উনাদের হাজার হাজার ঘরবাড়ি ও কারখানা ধ্বংস করতে যে লক্ষ লক্ষ লিটার পেট্রোল-কেরোসিন ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো কোত্থেকে এল? এমনকি প্রশিক্ষিত চালকসহ বুলডোজারও ব্যবহার করা হয়েছে মুসলমান উনাদের বাড়িঘর গুড়িয়ে দিতে, সেগুলো কোত্থেকে এল? (সূত্র: ইতিহাসের এক বিস্ময়কর অধ্যায়, গোলাম আহমদ মোর্তজা, বিশ্ববঙ্গীয় প্রকাশন, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৪৬)

যেই রাষ্ট্রযন্ত্র তার হিন্দু নাগরিকদের নিজ বাড়িতে অস্ত্র মজুদ করতে দেয় মুসলমান শহীদ করার উদ্দেশ্যে, সেই রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা মুসলমান উনাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব। হিন্দুদের হামলার জবাব দিতে ভারতের মুসলমানরাও তাদের ঘরে ঘরে অস্ত্রপাতি মওজুদ করুক, তারা সেদেশের প্রশাসন-পুলিশ-সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সশস্ত্র বিদ্রোহের ঘোষণা দিক। আল্লাহ পাক তিনি সহায়!এখন ভারতের মুসলমানরা যদি প্রস্তুতি নিতে যায়, সেক্ষেত্রে দেওবন্দিরা ‘দেশপ্রেম ঈমান উনার অঙ্গ’ এই দোহাই দিয়ে মুসলমান উনাদেরকে নিধিরাম সর্দার বানিয়ে রাখতে চাইবে, যাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু এসব ধর্মব্যবসায়ীদের অপব্যাখাকে অগ্রাহ্য করে ভারতীয় মুসলমান উনাদেরকে এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার প্রেক্ষাপট অনুধাবন করতে হবে। মক্কা শরীফ উনার থেকে বিদায় নেয়ার সময় নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছিলেন, “আমি আমার জন্মভূমিকে মুহব্বত করি।” সেই থেকেই বলা হয়ে থাকে, দেশপ্রেম হলো ঈমান উনার অঙ্গ।হিজরত করার আগে সেই ইরশাদ মুবারক তিনি কেন করেছিলেন? তিনি তা করেছিলেন মক্কা শরীফ উনার শাসনক্ষমতা দখলে রাখা মুশরিকগোষ্ঠীকে উৎখাত করার লক্ষ্যে। সুতরাং উক্ত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী ভারতবর্ষের মুসলমান উনাদের বিদ্রোহ করা ফরয-ওয়াজিব। সবচেয়ে বড় কথা হলো, ভারতবর্ষ হিন্দুদের দেশ নয়, এটি মুসলমান উনাদের ভূমি। এই ভূখণ্ডের যে হাজার বছরের সমৃদ্ধির ইতিহাস, তা মুসলমান উনাদের সুশাসনের ইতিহাস। ব্রিটিশরা আসার পর সেই সমৃদ্ধি ধ্বংস হয়েছিল, যার পেছনে সম্পূর্ণ দায়ী ছিল ব্রিটিশদের দালাল কুচক্রী হিন্দুরা। ——by @UC Browser

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s